মাস্তুল ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট- এমডিপির প্রত্যেক ১০জন শেয়ারহোল্ডার মাস্তুল আবাসন প্রকল্পের বি ব্লকে একটি প্লট পাবেন। যার বর্তমান মূল্য ১৬,৮০,০০০/- (ষোল লক্ষ আশি হাজার) টাকা। এমডিপি শেয়ারহোল্ডারগণ প্রত্যেকে এক হাজার টাকা ভর্তি ফি দিয়ে এমডিপিতে অন্তর্ভূক্ত হওয়ার সাথে সাথে তাদের জন্য একটি প্লট শেয়ারের সমপরিমান জমি মাস্তুল আবাসন প্রকল্পে বরাদ্দ হয়ে যাবে, কিন্তু তিনি তার শেয়ারমানি ১,৬৮,০০০/- (এক লক্ষ আটষট্টি হাজার) টাকা পরিশোধ করবেন ৮৪ মাসের (৭ বছর) কিস্তিতে। অর্থাৎ ১০০০ টাকা ভর্তি ফি ও একমাসের কিস্তি (২০০০) টাকা পরিশোধ করার সাথে সাথেই ১টি শেয়ারের সমপরিমান জমি (০.৫ শতাংশ মূল জমি + ০.৩১ শতাংশ ইউটিলিটিসহ মোট- ০.৮১ শতাংশ) তার নামে বরাদ্দ হয়ে যাবে। কিস্তির টাকা পরিশোধের পর শেয়ারহোল্ডারকে জমির সাফকবলা দলিলসহ দখল বুঝিয়ে দেয়া হবে।
উল্লেখ্য, কোন গ্রাহক যদি ইনস্ট্যান্ট সমুদয় কিস্তি পরিশোধ করে তাৎক্ষণিক সাফকবলা দলিল রেজিস্ট্রি নিতে চান, সে ক্ষেত্রেও আমরা দলিল দিতে রাজি আছি।
যাই হোক
জমির দলিল কিস্তির পরিশোধের পরে রেজিস্ট্রি হলেও শেয়ারহোল্ডারগণ তা পাবেন বর্তমান (২০২৪)মূল্য অনুযায়ী। অর্থাৎ সাত বছর পরে (২০৩০) যে জমি শেয়ারহোল্ডারের নামে রেজিস্ট্রি হবে মূলত সাত বছর আগেই তিনি সেই জমির মালিক হয়ে যাচ্ছেন।
কিস্তি চলাকালীন এই সাত বছরে জমির দাম যে পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে একজন শেয়ারহোল্ডার সহজেই তার দ্বারা লাভবান হতে পারবেন।
বলাই বাহুল্য যে, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ঢাকায় জমির দাম সাত বছরে ৩-৪ গুণ বৃদ্ধি পাওয়া স্বাভাবিক ব্যাপার। আর প্রস্তাবিত প্রকল্পের সামনেই যেহেতু আলাদিন্স পার্কের মতো একটি বড় বিনোদন পার্ক রয়েছে, জমির সাথে লাগোয়া জমিতে ইতোমধ্যেই গ্রীণ ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের দেয়াল উঠে গেছে এবং প্রকল্পের অদূরেই বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া সরকারের যৌথ প্রচেষ্টায় পূর্বাচল মডেল টাউনের আদলে তৈরি হচ্ছে বংশী-ধামরাই স্যাটেলাইট টাউন, সেহেতু প্রকল্পের জমির দাম আট-দশগুণ বৃদ্ধি পাওয়া অস্বাভাবিক নয়।
